1. খোঁজ
  2. ৩০টি ভাষার মধ্যে বেছে নিন

 
 
 

 

চলতি ঘটনা  | 01.12.2008

বিশ্ব এইডস দিবস

১ ডিসেম্বর৷ প্রতি বছরের মতো বিশ্বের বহু দেশে এদিন পালন করা হচ্ছে বিশ্ব এইডস দিবস৷ অর্থাৎ, এইচআইভি জীবাণুর সঙ্গে লড়তে অঙ্গীকার বদ্ধ হওয়ার দিন এই পয়লা ডিসেম্বর৷

বিশ্ব এইডস দিবসের সূচনা হয় প্রায় ২০ বছর আগে, ১৯৮৮ সালে৷ আর তখন থেকেই এই মারণব্যাধির বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধির কাজ শুরু করে জাতিসংঘ৷ কিন্তু তারপরও খুব দ্রুত, সারা বিশ্ব জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে এইডস ভাইরাস৷ সংখ্যার বিচারে, বিশ্বের প্রায় ৩৩ দশমিক ২ মিলিয়ন মানুষ এইডস-এর শিকার৷ আর এখনও পর্যন্ত, পৃথিবীর আড়াই কোটিরও বেশী মানুষ এই মারণব্যাধির হাতে বলি হয়েছে৷

 

এদের মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকা অন্যতম৷ তাই এদিন, দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবানে বিশ্ব এইডস দিবস উপলক্ষে প্রেসিডেন্ট বালেকা এমবেটে সাধারণকে যৌন সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোন রকম ঝুঁকি না নেওয়ার আহ্বান জানান৷ যৌন মিলনের সময় তিনি প্রতিবার কন্ডোম ব্যবহার করার প্রয়োজনীয়তার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন৷ এছাড়া, যৌনক্রিয়ার সময় মদ্যপান যে এইচআইভি ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাকে বৃদ্ধি করে - সে কথাও বলেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট এমবেটে৷

 

তবে শুধু এইডস প্রতিরোধ নয়, এইডস-এর কিছু অত্যাধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থার কথা জানালেন ইউএনএইডস-এর নির্বাহী পরিচালক ড. পেটার পিয়ট৷ তিনি জানান, যে শুধুমাত্র এআরভি ড্রাগগুলির জন্যই দক্ষিণ আফ্রিকায় এখনও প্রায় ৫ লক্ষ মানুষ বেঁচে আছেন৷ উল্লেখ্য, দক্ষিণ আফ্রিকার মোট জনসংখ্যার প্রায় ১৮ শতাংশ এইচআইভি ভাইরাসে আক্রান্ত৷


ইরানী স্বাস্থমন্ত্রী কামরান বাকেরি-লান্করানী বলেছেন, যে এইডস প্রতিরোধে আগামীতে আরো বেশি পরিমাণ অর্থ শিক্ষাখাতে ব্যবহার করতে চলেছে তেহেরান৷ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসেবে অনুযায়ী, ইরানের প্রায় ১৮ হাজার মানুষ এইচআইভি ভাইরাসে আক্রান্ত বলে প্রকাশ৷

 

এদিকে, চীনে এইডস রুগীদের সংখ্যা বাড়ার গতি কিছুটা হ্রাস পাচ্ছে বলে জানান চীনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা৷ বেইজিং-এ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, যে গত ৩০-শে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চীনের ৭৭ হাজার মানুষ এইডস রোগে আক্রান্ত বলে সনাক্ত করা হয়েছে৷ তাদের মধ্যে ইতিমধ্যেই মৃত্যুবরণ করেছেন ৩৪ হাজার ৮৬৪ জন৷ তিনি আরো বলেন,  চীন অব্যাহতভাবে এইডস নিবারণ ও নিরাময়ে জ্ঞান বিস্তার, সামাজিক বৈষম্য কমানো এবং বিভিন্ন পদক্ষেপ জোরদার করতে সম্মত হয়েছে, যাতে এইডস রোগে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা কমিয়ে আনা যায়৷

 

অন্যদিকে, গোট ইউরোপে এইচআইভি আক্রান্তের হার প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে বলে জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন৷ জানা গেছে, ২০০০ সালে ইউরোপে এইচআইভি ভাইরাসে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ছিল ২১ হাজার ৭৮৭৷ কিন্তু, ২০০৭ সালে এই সংখ্যা বেড়ে গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৪১ হাজার ৯৪৯-এ৷ এছাড়াও, এস্তোনিয়া, ইউক্রেন, পর্তুগাল এবং মালদাভিয়ায় এইচআইভি আক্রান্তের হার সবচেয়ে বেশী বলে জানানো হয়েছে ই. ইউ. এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একটি যৌথ প্রতিবেদনে৷ স্বাভাবিকভাবেই, এইচআইভি-র বিরুদ্ধে লড়াই যদি এখনই না শুরু করা যায়, তবে আগামী দিনের ভবিষ্যত অন্ধকার৷

 

দেবারতি গুহ

 
এই প্রতিবেদন অন্যদের পাঠান

আমাদের ই-মেল পাঠানঅন্যদের পাঠানপ্রিন্ট করুন

Weitere Schlagzeilen



 

DW-TV EUROPE live

In Focus - A Millionaire in Rubber Boots